Contact For Ad - 01622274693

Contact for Ad - 01622274693Header ADS

রুনি থেকে ডি লিট,সবচেয়ে দামী টিনেজার ফুটবলার যারা!






ম্যাথিউস ডি লীট! ইতিমধ্যেই তার সাবেক ক্লাব আয়াক্স ছেড়ে নাম লিখিয়েছেন জুভেন্টাসে। আর এই ট্রান্সফারের মাধ্যমেই সে ঢুকে গেছে বিশ্বের দামী টিনেজার ফুটবলারদের মধ্যে। চলুন জেনে নেয়া যাক ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামী দশজন টিনেজার ফুটবলারের দলবদল সম্পর্কে।

১০ - রেনেতো সাঞ্চেজ

২০১৬ সালে বেনফিকা ছেড়ে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিয়েছিলেন। তার ট্রান্সফার ফি ছিল ২৭.৫ মিলিয়ন ইউরো। বায়ার্ন মিউনিখ যখন সাঞ্চেজ কে কিনে নেয় তখন লিভারপুল, আর্সেনাল ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও তাকে দলে নিতে আগ্রহী ছিল। তবে বায়ার্নের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি এই পর্তুগিজ তরুন তুর্কি। লোনে অন্যক্লাবে গিয়েও হয়েছেন ব্যর্থ। ১৫ ম্যাচ খেলে গোল করতে পারেননি একটিও। তাই তার ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। তবে আশার কথা হচ্ছে তার বয়স মাত্র ২১। তাই তার হাতে এখনো সুযোগ আছে নিজেকে প্রমান করার।

৯ - ওয়েন রুনি

২০০৪ সালে এভারটন থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নাম লিখিয়েছিলেন। ট্রান্সফার ফি ২৭ মিলিয়ন ইউরো।
স্যার আলেক্স ফার্গুসনের ক্লাব নিউক্যাসেল কে দৌড়ে হারিয়ে কিনে নেয় ওয়েন রুনিকে। তখনো পর্যন্ত এটাই ছিল টিনেজার ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে দামী দলবদল। এই দলবদল পরবর্তীতে দলে কতটা প্রভাব ফেলেছিলো তা কারো অজানা নয়। ইউনাইটেডের হয়ে মোট ম্যাচ খেলেছেন ৫৫৯ টি, গোল করেছেন ২৫৩ টি। যা ক্লাবের ইতিহাসের সর্বোচ্চ। এই রেকর্ড এর আগে স্যার ববি চার্ল্টনের দখলে ছিলো। ছেলেবেলার ক্লাব এভারটনে ফিরে যাওয়ার আগে রুনি ইউনাইটেডের হয়ে জিতেছেন পাঁচটি প্রিমিয়ার লীগ ও একটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ।

৮ - লুক শঁ

সাউদাম্পটন থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের যোগ দিয়েছিলেন ২০১৪ সালে। ট্রান্সফার ফি ৩১ মিলিয়ন ইউরো।

"আমার ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি নিয়মিত হতে চাই, আর এটা করার জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড একটি আদর্শ জায়গা।" - ইউনাইটেডে যোগ দেয়ার সময় একথাই বলেছিলেন তিনি। ২০১৮-১৯ মৌসুম শেষে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বর্ষসেরা খেলোয়ার হিসেবে নির্বাচিত হন।

৭ - লুকাস মৌরা


৩৫.৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে সাও পাওলো থেকে ২০১২ সালে তাকে দলে ভেড়ায় পিএসজি। এই দলবদলের সময় ২০১২ এর আগস্টে মৌরা ছিলেন ১৯ বছর বয়সী। তাকে কেনার দৌড়ে ছিলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও। তবে সে সময় মৌরা বেছে নেন পিএসজি কে।

৬ - ভিনিসিয়ুস জুনিয়র

গেল বছরই রিয়াল মাদ্রিদ তাকে কিনে নেয় ৩৮.৭ মিলিয়ন ইউরোতে। তার সাবেক ক্লাব ছিলো ফ্লামেংগো। তাকে দলে আনার জন্য রিয়ালকে ভালোই কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল। কেননা তার সাবেক ক্লাব ফ্লামেংগো তাকে তাদের ভবিষ্যৎ কান্ডারি হিসেবে ভাবতো।
"মাদ্রিদে যোগ দিতে পেরে আমি খুবই গর্বিত বোধ করছি, আর হ্যা এটা মাত্র আঠারো বছর বয়সেই করতে পেরেছি।" - চুক্তি স্বাক্ষরের সময় এভাবেই বলছিলেন তিনি। ২০১৮-১৯ মৌসুমেই তিনি নিজের জাত চিনিয়েছেন। এখন বয়স ১৯। তাই সামনে আরও ভালো দিনের আশা করতেই পারেন ভিনিসিয়ুস।

৫ - রদ্রিগো গুয়েস

চলতি ট্রান্সফার উইন্ডোতেই তাকে সাইন করিয়েছে মাদ্রিদ।
১৮ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারকে বার্নাব্যূ তে নিয়ে আসার জন্য মাদ্রিদকে ৪০ মিলিয়ন ইউরো খরচ হয়েছে। সান্তোসের হয়ে ৪১ ম্যাচ খেলে ৯ গোল করছেন। ব্রাজিলের এই ভবিষ্যৎ তারকাকে তার ১১ বছর বয়স থেকেই নাইকি স্পন্সর করে আসছে। আর মাদ্রিদও তাকে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই দলে ভিড়িয়েছে।

৪ - অ্যান্থনি মার্শিয়াল

মোনাকো থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে এসেছেন ২০১৫ সালে। ট্রান্সফার ফি ৫৮ মিলিয়ন। মার্শিয়াল যখন ইউনাইটেডে যোগ দেয় তখন তিনিই ছিলেন সবচেয়ে দামী টিনেজার ফুটবলার। যোগ দেয়ার পর থেকে এখনো পর্যন্ত প্রিমিয়ার লীগে ১১৩ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ৩৪ টি।

৩ - ম্যাথিউস ডি লিট

মাত্র কদিন আগেই তার নতুন ঠিকানা নিশ্চিত করেছেন জুভেন্টাস কর্তৃপক্ষ। আয়াক্স থেকে এই ডাচ ইয়াংস্টার কে দলে ভেড়াতে জুভেন্টাসকে খরচ করতে হয়েছে ৬৭.৮ মিলিয়ন ইউরো।
বর্তমান সময়ের সেরা সেন্টার ব্যাকদের কথা বললে ভার্জিল ভ্যান ডাইক, সার্জিও রামোস, জেরার্ড পিকে এদের কথা উঠবেই। তবে ভবিষ্যতে এদের সবাইকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রচুর সম্ভাবণা রয়েছে ডি লিটের। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে চ্যাম্পিয়নস লীগের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক হিসেবে ম্যাচ খেলতে নামেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হওয়ার দিন তার বয়স হয়েছিল ১৯ বছর ১৮৬ দিন।
নেদারল্যান্ডের এই ডিফেন্ডার আয়াক্সের হয়ে ১০০ এর বেশি ম্যাচ খেলেছেন।

২ - জোয়াও ফেলিক্স

বেনফিকা থেকে এ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। ট্রান্সফার ফি ১১৩ মিলিয়ন ইউরো।

চলতি মাসের শুরুতেই পর্তুগীজ এই টিনেজারকে কিনে নেয় এ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।  ফুটবল ইতিহাসে তার চেয়ে দামী ফুটবলারই আছেন মাত্র চারজন এবং টিনেজারদের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। বেনফিকার হয়ে পর্তুগীজ লীগে ২৬ ম্যাচ খেলে করেছেন ১৫ গোল।

১ - কিলিয়ান এমবাপ্পে

মোনাকো থেকে পিএসজিতে যোগ দিয়েছেন ২০১৭ সালে। ট্রান্সফার ফি ১৬৫.৭ মিলিয়ন ইউরো।

সবচেয়ে দামী টিনেজার ফুটবলার এবং সর্বোপরি বিশ্বের দ্বিতীয় দামী ফুটবলার। এমবাপ্পে মূলত পিএসজিতে লোনে যোগ দিয়েছিলেন। চুক্তিতে তাকে পাকাপাকিভাবে কিনে নেওয়ারও সুযোগ রেখেছিল পিএসজি।

২০১৮-১৯ মৌসুমে পিএসজি তাদের টানা দ্বিতীয় লীগ শিরোপা ঘরে তুলে নেয়। যেখানে এমবাপ্পে ২৯ ম্যাচ খেলে ৩৩ গোল করেন। এখন তাদের মূল লক্ষ্য চ্যাম্পিয়নস লীগ জেতা।

No comments

Theme images by luoman. Powered by Blogger.